POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

কচুয়া সঃপ্রাঃবিঃ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত অনুষ্ঠিত

শান্তুু ধর,কচুয়া | প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২১ | সময়: ১০:২৪ অপরাহ্ণ

কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের ৭৯নং হারিচাইল-হাসিমপুর সারকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা কচুয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভাষ চন্দ্র বিদ্যালয়ে আসলে উল্লেখ জনক এলাকাবাসী উপস্থিত হয় এবং তারা ভিক্ষিপ্তভাবে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন। পরে তারা বিদ্যালয়ের গেইটে এসে স্লোগানে বিক্ষোভ তুলে বলেন, পদত্যাগ চাই পদত্যাগ প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ চাই।
এলাকাবাসীর পক্ষে হুমায়ন কবির, গাজী মোঃ দুলাল ও আবু আব্দুল্লাহ (নয়ন) গত ২৩/০৯/২০২১ ইং তারিখে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার রহিমানগ ক্লাষ্টার কচুয়া চাঁদপুর বরাবরে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে এ তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগে প্রকাশ ওই প্রধান শিক্ষক বিগত ০৯/০৫/২০১০ ইং সালে বিদ্যালয়ে যোগদান করে। যোগদানের পর থেকে সরকারী অনুধানের যেমন স্লীপ, ক্ষুদ্র মেরামত, শিওর ক্যাশ, নগদ টাকা, উপবৃত্তি সংক্রান্ত, অন্যান্য আর্থিক ব্যবস্থাপনার অনেক দুর্নীতি ও অভিভাবকসহ ম্যানেজিং কমিটির মনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

এছাড়াও ইতোপূর্বে বিদ্যালয়ের কিছু সেগুন গাছসহ অন্যান্য গাছ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কেটে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যায় এবং কিছু গাছ বিক্রিও করে দেয়। সম্প্রতিতে অনেক ফলজ গাছ থেকে ফল বিক্রী করে টাকা আত্মসাৎ করেছে। যা জনমনে আরো ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে গত ০৯/০৮/২০২১ ইং তারিখের স্থানীয় একাধিক পত্র-পত্রিকার সংবাদ প্রকাশে আমরা জানতে পারি বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন মিয়ার স্বাক্ষর জাল করে স্লীপের টাকা উত্তোলন করতে গেলে সোনালী ব্যাংক রহিমানগর শাখা হতে ফেরত আসে। এ নিয়ে ওই প্রধান শিক্ষক ক্ষমা চাইতে হয়েছে। বিদ্যালয়ের চলমান কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমানের সাথে প্রধান শিক্ষক একই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাইলে তিনি অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ পত্র দেন। যা উপজেলা শিক্ষা অফিসার কার্যালয়ে জমা আছে। প্রধান শিক্ষক আবারো কমিটিকে না জানিয়ে স্লীপের টাকা অনিয়ম করে উত্তোলন করায় এলাকাবাসী ফুঁসে উঠলে এ অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, আমি কোনো অনিয়ম দুর্নীতি করিনি, অর্থ যা আসছে তা দিয়ে বিদ্যালয়ের কাজ করেছি এবং অবশিষ্ট টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে।
তদন্ত অফিসার সুভাষ চন্দ্র জানান, আজ আমি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে আসছি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে,পরবর্তীতে আমার বিচার বিশ্লেষণ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ পাঠাবো।

E/N

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন