৭২নং নাটেহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে খেলার মাঠটি পানিতে ডুবে গেছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা করোনা সংক্রমণের পর বিদ্যালয়ে এসে জলাবদ্ধতার কারণে মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না। তারা একপ্রকার বন্দিদশায় রয়েছে।
কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় স্কুলের মাঠটি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এই দশা যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়কুল ইউনিয়নের ৭২নং নাটেহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দেখা যায় এমন দুর্ভোগের চিত্র।
ভুক্তভোগী পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিব, কাউসার, সামিয়া আক্তার জানায়, বৃষ্টি হলে আমাদের খেলার মাঠটি পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ সময় স্কুলে এসে হাঁটাচলা এবং খেলাধুলা করা যায় না। আমরা ক্লাসরুমের মধ্যে আটকা পড়ে থাকি। করোনার কারণে বাড়িতে একরকম বদ্ধ হয়ে ছিলাম। স্কুলে এসেও দেখি একই অবস্থা।
প্রধান শিক্ষক অলক চন্দ্র দত্ত বলেন, নাটেহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির পানি নিস্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে ভবনের চারপাশসহ মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে চাইছে না। পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে স্কুল কমিটি ও স্হানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি।
অন্যদিকে স্হানীয় সূত্র জানাগেছে, বিদ্যালয়টির পাশে দু’টি পুকুর রয়েছে। আর একটু বৃষ্টি হলেই পানি নামার ব্যাবস্হা না থাকায় স্কুল মাঠ এবং কয়েকটি বসতঘরের আঙ্গিনা পানি উঠে যায়। দীর্ঘ একমাস ধরে স্কুল মাঠ এবং বসতবাড়ির আঙ্গিনা পানির নিছে থাকায় দুর্ভোগের পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী এবং স্হানীয়দের।
স্হানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মমিনুল হক জানান, জলাবদ্ধতা থাকার কারনে ছোট ছোট নাতিদের নিয়ে ভয়ে আছেন। জলাবদ্ধতার কারণে বাড়ির উঠোনে চলাচল করতে পারে না। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা জরুরি হয়ে পড়ছে।