কচুয়া উপজেলার ৩০ নং সেঙ্গুয়া মৌজার চুড়ান্ত বিএস ১১৮৫ নং খতিয়ান ভুক্ত রায়তী সত্বে সাবেক ১৩৬ হাল বিএস ২৩৮ দাগে নাল হালে ভরাট ভুমি সাবেক ১৩২ হাল বিএস ২৪১ দাগে ভিটা সাবেক ১২৩০ হাল বিএস ৪২৭ দাগে পুকুর হালে ভরাট ভুমি সাবেক ১২৬ হালে বাড়ি ও ভরাট ভুমি সাবেক ১২৫ হাল বিএস ৪২৯ দাগে পুকুর হাল ভরাট ভুমি সাবেক ১২৬ হালে বিএস ৪৩০ দাগে পুকর পাড় হাল ভরাট ভুমি উক্ত দাগ অন্দরে .৫৮৪০ একর ভিটে ভুমি বটে। যাহার উত্তরে দীঘি, দক্ষিনে সরকারী রাস্তা, পশ্চিমে মো. আহার আলী চৌধুরী ও মো. ইউনুস, পুর্বে কালা মিয়া গং এর চৌহদ্দির মধ্যে .৫৮৪৯ একর নালিশি ভিটি বাড়ি ভুমি বটে।
এ সম্পত্তি নিজের দাবী করে কাদির খিল গ্রামের চৌধুরী বাড়ির অধিবাসি মৃত মোখলেছুর রহমান এর ছেলে আবরারে চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। যাহা বিজ্ঞ আদালতের কোর্ট দরখাস্ত মামলা নং ৮৫১/২০২০ স্মারন নং- ১৭৫০ তারিখ- ০৫/১১/২০২০ ইং, ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৫ ধারা মোতাবেক। বিজ্ঞ আদালত সকল কিছু বিশ্লেষন করে ১ম পক্ষ ও ২য় পক্ষকে মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই স্থানের উপর কেউ কোন ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু ২য় পক্ষ এলাহী বক্সের ছেলে আবদুছ ছাত্তার, সফিকুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম, হাবিব উল্লাহর ছেলে সেফায়েত উল্লাহ ও আতাউর রহমান, নুরুজ্জামানের ছেলে জামাল চৌধুরী আদালতের নিশেধাজ্ঞাকৃত স্থানে ভবন নির্মান কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
অভিযোগকারী আবরারে মোস্তফা কচুয়া থানার নোটিশকারী এ এস আই ( নিরস্ত্র ) রামু চন্দ্র রায়কে বিষয়টি অবহিত করা হলে, তিনি জানান আদালতের বিষয়ে আদালতেই যেতে হবে। আদালতের নির্দেশনা পেলে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে। অপর দিকে আদালতের নিশেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও কেন ভবন নির্মান করা হচ্ছে ভবন নির্মানকারী এমন কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
E/N