সম্প্রতি সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটলেও চাঁদপুরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। ঝুঁকি জেনেও লাইফ জ্যাকেট ও বয়া ছাড়াই ট্রলারে মালামালসহ যাতায়াত করছে যাত্রীরা।
চাঁদপুর শহর থেকে প্রতিদিন মেঘনা নদীর পশ্চিমের ৩০টি চরের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা-মেঘনা নদী পাড়ি দিচ্ছে। এ সব এলাকার মাঝি ও চালকরা কোন নিয়মনীতি মেনে না চলায় যাত্রীদের মাঝে সর্বদা আতংঙ্ক বিরাজ করে। ট্রলারগুলোতে পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট ও বয়া না থাকায় প্রতিনিয়তই থাকে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। যদিও জেলা প্রশাসন থেকে কিছু লাইফ জ্যাকেট ও বয়া দেয়া হলেও ট্রলারের ,মাঝিরা সেগুলো ব্যববার করছে না।
চাঁদপুর শহরের বড়স্টেশন মোলহেড ও পুরানবাজার নদীতীরে গিয়ে দেখা গেছে, চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার থেকে শরীয়তপুর জেলা, ফেরিঘাট, দক্ষিণ তারাবুনিয়া মোল্লার বাজার, উত্তর তারাবুনিয়া চেয়ারম্যান স্টেশন, রাজরাজেশ্বর ঘাট, বাঁশগাড়ী, মতলব উত্তরের জহিরাবাদ, চরবাঘা ইউনিয়ন, গৌরাঙ্গের বাজার, শরীয়তপুরের কাঁচিকাটা চরে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক ট্রলার যাতায়াত করে থাকে। আর প্রত্যেকটি ট্রলারেই গাদাগাটি করে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারি দিচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে
সূত্র:চাঁদপুর টাইমস্
W/N