পিসিআর ল্যাবে জট থাকায় উপসর্গে মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষার ফল আসতে সময় লাগে। পরে তা আর করোনায় মোট মৃত্যুর হিসাবে যোগ হয় না।
বগুড়া সিভিল সার্জনের কার্যালয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে করোনায় ও উপসর্গে মৃত্যুর গত ২ মাসের যে তথ্য আছে, সে অনুযায়ী চলতি মাসে উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যাই বেশি। জুলাই মাসের ২৫ দিনে জেলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১২৯ জনের। উপসর্গে মারা গেছেন ২১২ জন।
গতকাল রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয় ৫ জনের। আর উপসর্গে মৃত্যু হয় ৭ জনের। নতুন করে ৮৪০টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৪২ জনের।
হাসপাতালে উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে গণনা হয়। পরে নমুনা সংগ্রহ করলেও পিসিআর ল্যাবে জট থাকায় পরীক্ষার ফল আসতে সময় লাগে ৮-১৫ দিন। পরে সে ফল এলেও তা আর হালনাগাদ করা হয় না। এ কারণেই কাগজে–কলমে উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
H/N