ফ্লোরিডা তে এবার ঈদ এর আনন্দ তা একটু ভিন্ন ছিল | পেনসিলভানা থেকে এর ঠান্ডা থেকে সরাসরি বাংলাদেশ এর আবহাওয়া|
শামীম আমার স্কুল এর বন্ধু | এখানে প্রতিষ্টিত ডাক্তার | দেশে বলে, রসুনের গোড়া এক জায়গায় | এ জীবনে অনেক দেশে , অনেক শহরে থেকেছি| চলার পথে অনেক বন্ধু পেয়েছি | কিন্তু স্কুল আর কলেজ বন্ধুদের জন্য সব সময় আত্মার টান
অনুভুব করি| কথা বলার সময় জিপিএস লাগেনা |
শামীম এর ওয়াইফ সুমি | আমাদের ভাগ্নি | আমার বড় বোন না থাকাতে, তিনজন জন এর কাছ থেকে ছোট ভাইয়ের আদর পেয়েছি | নার্গিস আপা, মুকুল আপা আর মিতু আপা|
প্রথম জন সুমির মা | সুমির কাছ থেকে প্রথম “মামা” ডাক টা শুনে খুব ভালো লাগতো| এখন যদিও ভাগ্নির সংখ্যা অনেক |
আমেরিকাতে ডাক্তার হওয়া আর এভারেস্ট বিজয় করা, কাছাকাছি পর্যায়ের পরিশ্রম বলা চলে| যারা সেই এভারেস্ট বিজয় করেন, তাদের সবাই চিনে| বাস্তব হিরো কিন্তু নেপালের শেরপা রা | বিজয়ীদের সার্বক্ষণিক সঙ্গী| সুমি শামীম এর জন্য সেরকম একজন| যেমন আমার ওয়াইফ হ্যাপি আমার সকল কাজের রাডার| সারাদিন আমি ফাঁকি দেই, ও সারাদিন ধরে |
আমাদের দুই জন এর ই দুইজন করে মেয়ে রয়েছে | শামীম আর সুমির আয়েশা এবং এলিনা | আমার আর হ্যাপির নাভিম এবং নিধি | ঈদ এর আনন্দ একসাথে সমানভাবে ভাগাভাগি হচ্ছে | শামীম এর দুই মেয়েই ভীষণ মিশুক | তবে ছোট মেয়েটা একটু ভিন্ন, সবার কাছ থেকে কিভাবে আদর কেড়ে নিতে হয় , এই বুদ্ধি সে ভালোই রপ্ত করেছে| বড়জন অবশ্য নিজের চাহিদা টা ছোট জন কে দিয়ে আদায় করে নেয় |