একটি মাল্টিপারপাসের দায়ের করা মামলায় মুন্নীর স্বামীর সাজা হয়। তিন কন্যা সন্তান নিয়ে স্ত্রী মুন্নী বেগম সংসার নিয়ে টানাপোড়নে পড়েন। খবর পেয়ে মুন্নীর স্বামীকে জেল থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করবেন বলে কথা দিয়েছিলেন চাঁদপুর-৫ আসনের সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম।
মঙ্গলবার বিকালে চাঁদপুর জেলা কারাগার থেকে জামিনে আসেন মুন্নীর স্বামী জিলানী।
এ বিষয়ে সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, ‘একটি পরিবার নতুন প্রাণ পেলো। আমি চেষ্টা করেছি মাত্র।’

ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ইব্রাহীম রনি বলেন, আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে মুক্ত করে আনলেন মুন্নী বেগমের স্বামী ও ৩ কন্যার পিতা জিলানীকে। সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এ বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। আমার যুবলীগ কর্মীরাও এই কাজে সহযোগিতা করেন।
তিনি আরো জানান, স্যার ঈদের আগে ঈদ বাজারে জন্য ৩ হাজার টাকা,এবং রোজার শুরুতে রোজার বাজার দিয়েছেন।।
মুন্নী বেগম স্বামীকে পেয়ে সাংসদের সাথে মুঠফোনে স্যারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
একটি মাল্টিপারপাস থেকে ২০০৭ সালের ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে বেকায়দায় পড়েন হাজীগঞ্জ উপজেলার ২ নং বাকিলা ইউনিয়নের বোরখাল গ্রামের বড় বাড়ীর দিনমজুর আব্দুল কাদের জিলানী (৪৫)। তিনি ঋণ না দেয়ায় গত তিন মাস ধরে তিনি জেলহাজতে ছিলেন।
তার স্ত্রী মুন্নী বেগম তিন কন্যা সন্তানকে নিয়ে করোনা ভাইরাসের এই দুর্যোগ মুহূর্তে অসহায় হয়ে পড়েন। তিন সন্তানের মুখে তিন বেলা খাবার দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন অসহায়ত্বের খবর পেয়ে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম পাশে দাঁড়ান।
ওইসময় সাংসদের পক্ষ থেকে ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ইব্রাহীম খাঁন রনি দলীয় নেতাকর্মীরা গিয়ে ৫ হাজার টাকা অনুদান তুলে দেন। ওইসময় সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম জিলানীর স্ত্রী মুন্নী বেগমের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন।
সাংসদ স্ত্রী মুন্নী বেগমকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, শীঘ্রই সরকারি ভাবে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এছড়া তার স্বামীকে জেল থেকে জামিনে আনতে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করবেন। সেই কথা রেখেছেন সাংসদ। মঙ্গলবার জামিনে আসেন জিলানী। মামলার বাদী দি চাঁদপুর মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ এর পরিচালক ওয়াহিদুজ্জামান উৎপল ।