বিশ্বমহামারি করোনা ভাইরাসে মৃত ব্যাক্তির সৎকারের জন্য হাজীগঞ্জ পৌর মহা শ্মশানে করোনা ভাইরাস চলাকালীন সময়ে উপজেলা ব্যাপী কমিটি করা হয়।
সোমবার হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়রের যৌথ প্রচেষ্টায় হাজীগঞ্জ পৌর মহাশ্মাশানে সোমবার ৫ ঘটিকার সময় তিন দল বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটি সার্বিক ভাবে পরিচালনার জন্য দুই সদস্য সমন্বয়ক করে করোনা ভাইরাস চলাকালীন সময়ের জন্য কমিটি করা হয়। সম্মানক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হলেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর রিটন কুমার সাহা লিটন ও অন্যজন সমন্বয়ক হাজীগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের সভাপতি অপণ কুমার সাহা।
এই ছাড়া সৎকারে দায়িত্বে যারা থাকবেন ১ম দলে সুনীল দাস, বাবুল সাহা, মন্ঠু সাহা, সন্তষ সাহা, দীপক সাহা, স্বপন সাহা, সন্তোষ শীল।
২য় দলে সঞ্জু সাহা, অপু সাহা, সুভাষ দাস, দুল সাহা, রাম চন্দ্র রায়, দীপক সাহা (বলাখাল), ৩য় দলে যারা শ্রীবাস সাহা, শ্যামল সাহা, গৌতম সাহা, ইন্দ্রজীৎ দাস, নিরু কুড়ি, রাম চন্দ্র রায়।
কমিটি গঠনের পূর্বে সকাল ১১টায় হাজীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র এর সাথে হাজীগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি আলোচনা করেন এবং মেয়র আ স ম মাহাবুব উল আলম লিপন এর বিভিন্ন দিক নির্দেশনার মূলা বক্তব্য শুনেন এবং এই প্রথম সক্রিয় একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি করোনা ভাইরাস চলাকালীন সময়ে সৎকারে নিয়জিত থাকবে বলে প্রতিনিধিগণ মেয়র কে আস্বস্থ্য করেন। হাজীগঞ্জ পৌসভার সভা শেষ করে প্রতিনিধি দল হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়ার সঙ্গে সৎকারের বিষয়ে ১২ ঘটিকায় নির্বাহী কার্যালয়ে আরেকটি সভায় আলোচনা করা হয়।
এই সময়ে নির্বাহী কর্মর্কতা বৈশাখী বড়ুয়া বলেন আমি প্রশাসনের দিক থেকে যত প্রকাশে সহযোগিতা প্রয়োজন সকল কিছু করোনা মৃত ও উপর্সগ নিয়ে ব্যক্তিদের করে হবে। এখানে সৎকারে নিয়জিত সকল সদস্যদের পিপিই ও অন্যান সামগী দিয়ে যাবো এবং তাদের সুরক্ষার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা সরকারি ভাবে করা হবে।
আলোচনা সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, সকাল ৮ ঘটিকা থেকে রাত ৯ ঘটিকা পর্যন্ত সকল সকল মৃতদেহ গ্রহণ ও সৎকার করা হবে। উক্ত সৎকার কমিটিতে সদস্য হতে চাইলে তাকেও স্বাগত জানানো হবে।