চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৬নং ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের দাঁরচর গ্রামের জনার্দন দাসের বাড়িতে দূর্বৃত্তদের হামলা ফলদি গাছ কেটে সাবাড়।গত শুক্রবার রাত ১১ঃ৩০মিনিটের সময় এই ঘটনাটি ঘটে।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,জনার্দন দাসের ছেলে জগন্নাথ দাস বলেন,প্রতিদিনের মতো আমি রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ি।রাত ১১ঃ৩০মিনিটের সময় আমি বাথরুমে যাওয়ার সময় অন্ধকারে শুনতে পাই কে যেন আমার সকল ফলদি,শাকসবজি গাছ কেটে পেলছে,তারা১০ থেকে ১২জন লোক এই হামলা চালায়,ভয় পেয়ে আমি ঘরে চলে আসি,তার দুই তিন মিনিট পর আমার বাবাকে নিয়ে লাইট হাতে বেড় হই,ততক্ষণে দূর্বৃত্তরা আমার হাতে লাগানো সকল ফলদি গাছে ফলধরাসহ সবকিছুই কেটে সাবাড় করে দিয়েছে।তাড়া মূলত আমাকে ও আমার পরিবারের উপর হামলা করতে এসেছে,আমি ঘরে থাকায় তারা এমন অমানবিক নিষ্ঠুর কাজটি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন রাতেই আমি এলাকার গন্যম্যান ব্যক্তিদের বিষয় টি অবগত করি।সকালে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের কথায় কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি,আমার ধারনা বাড়িতে আমার সাথে কিছু সম্পত্তি গত বিরোধ আছে,হয়ত তারাই এই কাজ করতে পারে বলে আমি ধারনা করছি।এবিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ ওসি মোঃ মহিউদ্দিন জানান,বিষয়টি শুনেছি,খুবই দুঃখ জনক ব্যাপার তবে দূর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনতে আমরা তদন্ত করছি,এমনি এসআই মোঃ আরিফ এর ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পরির্দশন করা হয়েছে।এদিকে ৬নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন,বিষয় টি শুনেছি ও ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি,যারা এই ধরেন নিকৃষ্ট কাজটি করেছে,তাদের আইনের আওতায় এনে অব্যশই দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া হবে।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানান,এই ফলদি বাগানে তিনি প্রায় তিন শতাধিক ফলদি শাক,সবজির চারা লাগিয়েছেন, এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার মতো খরচ ও কঠিন পরিশ্রমে আমার বাগানে ফল ধরেছে কিন্তু মানুষ এতটা নিকৃষ্ট হয়ে গেছে,যে সৃষ্টি কর্তার দানিয় জিনিসকেও ছাড় দিল না।আমি এর তৃীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি তার সাথে দোষিদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করছি।
H/N