ফিলিস্তিনে ইসরাইলের বিমান হামলার প্রতিবাদে হাজিগঞ্জ বড় মসজিদ গেইটে, চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলের বিমান হামলার প্রতিবাদে হাজীগঞ্জ বিক্ষোভ করেছে ঐতিহাসিক বড় মসজিদ এর তাওহিদী জনতা।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে এই মানববন্ধন ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েক শ মানুষ। বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে হাজীগঞ্জ বাজারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যায়।
বিক্ষোভে শাহাদাত খান মিশু বলেন, ফিলিস্তিনে নামাজরত মানুষের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে, মানুষ হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এমন বর্বর হামলার পরও বিশ্বসম্প্রদায় চুপ আছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ইয়াসিন আরাফাত, শামসুদ্দিন খান, মোঃ শামীম প্রমুখ।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৩২ ছাড়িয়েছে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আক্রমণ চলমান। অন্যদিকে লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে রকেট ছোড়ার দাবি করেছে তেল আবিব।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে ২৩২ জন নিহত হন। আর গত সোমবার ইসরায়েলি আক্রমণ শুরুর পর থেকে সেখানে আহত মানুষের সংখ্যা ৫৮০। আহতদের চিকিৎসা দিতে সেখানকার হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। কারণ, করোনা রোগীর কারণে আগে থেকেই হাসপাতালগুলোর অবস্থা ছিল নাজেহাল।
আজ-জাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের বাহিনী তাদের বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে হামাস গাজা থেকে রকেট ছুড়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, তাঁদের বাহিনী গাজায় প্রায় এক হাজার লক্ষ্যবস্তুতে ইতিমধ্যে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলে সাতজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার গাজা সীমান্তে ইসরায়েল তাদের দুটি পদাতিক ও একটি সাঁজোয়া ইউনিট মোতায়েন করে। পাশাপাশি আরও সাত হাজার সেনাকে প্রস্তুত হতে বলা হয়েছে।
২০১৪ সালে গাজায় ইসরায়েলিদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সাত সপ্তাহের যুদ্ধের পর এবারই এটা সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘাত।