প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গাজার রাস্তা, ভবন, হামাসের প্রশিক্ষণ শিবির ও ঘরবাড়িতে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনের বেশির ভাগ জায়গায় রাতভর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে এসব হামলা হয়েছে। তাদের দাবি, গতকাল রোববার গভীর রাতে বিরসেবা ও আশকেলন শহরে গাজা থেকে রকেট হামলা চালানো হয়। এরপরই ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন টুইটে জানান, অবিলম্বে সহিংসতা নিরসন করতে হবে। সহিংসতা নিরসনে সব পক্ষের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। ইসরায়েল, গাজা এবং দখলকৃত পশ্চিম তীরে চলমান সহিংসতা নিয়ে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরে তিনি এই টুইট করেন।
গতকাল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে , ‘ইসরায়েল, ফিলিস্তিন ও অন্যরা যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত।’
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গতকাল টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, যত দিন প্রয়োজন, তত দিন হামলা চলবে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার জন্য ইসরায়েলি জনগণকে অপেক্ষা করতে হবে।
গত শনিবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় অবস্থিত ১২ তলা একটি ভবন হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। ওই ভবনে এপি ও আল-জাজিরার কার্যালয় ছিল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, আল-জালা নামে ওই ভবন তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। সেখানে হামাসের সামরিক বাহিনীর কার্যালয় রয়েছে। এ কারণে হামলার আগে তারা ওই ভবন থেকে মানুষকে সরে যেতে সতর্ক করেছিল। হামলার নিন্দা জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।
M/N