সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের বাসা (ফ্ল্যাট-বি-৩) থেকে মোসারাত জাহানের (মুনিয়া) লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর ঘটনার পর থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি দেশ বা বিদেশে সে বিষয়েও কেউ সঠিকভাবে অবগত নয়।
লাশ উদ্ধারের পর সোমবার রাতে গুলশান থানায় মামলা করা হয়। এতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে বসুন্ধরার এমডির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান মামলার বাদী।
বাদী এজহারে উল্লেখ করেন, মুনিয়া (২১) মিরপুর ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। মামলার আসামি সায়েম সোবহান আনভীরের (৪২) সঙ্গে দুই বছর আগে মুনিয়ার পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। সব সময় মোবাইলে তাদের মধ্যে কথা হতো। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, “ফেসবুকে একটি ছবি আপলোড হয়; সেই ছবিকে কেন্দ্র করেই তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে”
সূত্র:জাগরণ
H/N