বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ জব্দ করেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা। শুক্রবার রাতে নগরের চন্দ্রিমা থানার ভদ্রা জামালপুর এলাকায়।
‘সেকলো-২০’। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের বহুল প্রচলিত একটি ওষুধ। নিজের বাড়ির একটি কক্ষে বসেই ‘সেকলো-২০’ বানিয়ে ফেলেন আনিসুর রহমান (৪২)। অন্তত দুই বছর ধরে এমন ওষুধ বাজারে বিক্রি করেছেন। আরও তিনটি কোম্পানির যেসব ওষুধ বাজারে এক নামে পরিচিত, সেগুলো তিনি ঘরে বসেই বানিয়ে বিক্রি করেছেন। গত শুক্রবার রাতে আনিসুরের নকল ওষুধের ওই কারখানার সন্ধান পেয়েছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তাদের একটি দল সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ, ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, যন্ত্রপাতিসহ আনিসুরকে গ্রেপ্তার করেছে।
শাহী নগরের চন্দ্রিমা থানা এলাকার ভদ্রা জামালপুরের একটি বাড়িতে আনিসুর রহমান এই কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। এলাকাটি নির্জন হওয়ায় আনিসুর বাড়ির একটি ঘরে যন্ত্রপাতি বসিয়ে ওষুধ প্যাকেটজাত করতেন। অত্যাধুনিক সেই যন্ত্রটিও জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ।
আনিসুরের বাড়িতে পাওয়া অন্যান্য নকল ওষুধের মধ্যে রয়েছে এসবি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের পাওয়ার-৩০, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের পিজোফেন-০.৫, এপেক্স ফার্মার রিলামক্স-৫০০ এবং ইলিমিক্স-২০০।
সূত্র:প্রথম আলো
H/N
্