হাজীগঞ্জ উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বলিয়া গ্রামের এক রাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। দুইজনেরই এক সপ্তাহ ধরে জ্বর ছিল। হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ও চাঁদপুর সদর হাসপাতালে একজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এদিকে হাজীগঞ্জ উপজেলায় মৃতদের দাফনকারী দলের সদস্যদের পিপিই সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সংকট দেখা দিয়েছে।
মৃতদেহ দাফন কাজের একটি দৃশ্য।
বলিয়া গ্রামের মৃত দুজন হলেন পন্ডিত বাড়ির মুজিবুর রহমান (৬০) ও কেসিয়ার স্যারের বাড়ির জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)।
বলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক ফরহাদ হোসেন বলেন, কয়েকদিন পূর্বে বলিয়া মিজি বাড়ীর আবু জাফর (৬০) ঢাকায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরে তাকে বাড়িতে এনে দাফন করা হয়।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একই গ্রামের পন্ডিত বাড়ি মুজিবুর রহমান পিত্তনালীতে পাথর ছিল। গত ১০ দিন ধরে তিনি শরীরের জ্বরে ভুগছিলেন।
অপরদিকে মঙ্গলবার ভোররাতে একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম(৫৫) মারা যান। তিনি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জ্বর ও সর্দিতে ভুগছিলেন।
দাফনকারী দলের শরিফুল হাসান পপুলার বিডিনিউজ ডটকমেকে বলেন, আমাদের দলের প্রথমে ১০ জন ছিল। এখন ৫/৬ জনের একটি দল আছে। তবে আমাদের মৃতদেহ দাফনের জন্য যে সরঞ্জামাদি প্রয়োজন তা একেবারে সংকট দেখা দিয়েছে। সরঞ্জামাদি না পেলে আমরা সামনে মৃতদেহ দাফন কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবো না।
তিনি আরো বলেন, মঙ্গলবার রাতে একজন দাফন শেষে বাসায় ফেরার পর জানলাম আর একজন মারা গেছেন। আমাদের সবার শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ছে।
জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এসএম শোয়েব আহমেদ চিশতী বলেন,জাহাঙ্গীর আলমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আরেক জনের গতকাল চাঁদপুরে নমুনা দিয়ে এসেছেন বলে জেনছি।