চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ জন। আরো দুইজন ঢাকা থেকে করোনা নিয়ে এসেছেন, তারা সংখ্যার পরিসংখানে ঢাকার, কিন্তু চিকিৎসা ও পরামর্শ নিচ্ছেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে। এই উপজেলায় মোট ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত।
করোনা নমুনা সংগ্রহের জন্য তিনজন টেকনোলজিস্ট থাকার কথা। আছেন একজন। আরেক জন করোনা লক্ষণ নিয়ে চিকিৎসাধীন। অপর পদটি শূণ্য।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ওই মৃতদের মধ্যে ১জন করোনায় মারা গেছেন। করোনা রিপোর্টেও অপেক্ষায় ৪ জনের। তারা হলেন রফিকুল ইসলাম, আবুল কাশেম, মোস্তফা কামাল, আবদুল কাদের পাটওয়ারী। বাকী ৬ জনের করোনা ছিল না।
এছাড়াও করোনায় আক্রান্ত ১৩ জনের মধ্যে ৩ জনকে সুস্থ্য ঘোষণা করা হয়েছে। একজন মারা গেছেন। বাকীরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালের ফ্লু কর্ণারের দায়িত্বে থাকা ডা. মেহেদী হাসান বলেন, আজ সোমবার সর্বোচ্চ ৪৮/৫০ জন জ্বর, সর্দি, কাশি নিয়ে এসেছেন। তাদের মধ্যে ১৪ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
জ্বরের লক্ষণ নিয়ে আসা আমিন মেমোরিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানাউল্লাহ পাটওয়ারী বলেন, আমাকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়েছেন। তবে পরিবারের কারো জ্বর নেই।
হাসপাতালের একমাত্র টেকনোলজিস্ট মাহবুব আলম পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, আজকে ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছি। জনবল সংকট। আমার সহকর্মীর করোনা লক্ষণ দেখা দিয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো নমুনা পাঠানো হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এসএম শোয়েব আহম্মেদ চিশতী পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, করোনার লক্ষণ দেখা দিলে আমাদের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেলিমেডিসিন নম্বরে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিতে পারেন। হাজীগঞ্জ উপজেলায় এ পর্যন্ত ২২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। দৈনিক অন্তত ৭/৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। জনবল সংকটের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।