সর্বশেষ ঘটনায় কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি ছাত্রী হল নির্মাণে ইজিপির মাধ্যমে দরপত্রে অংশগ্রহণকারীদের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। সেখানে দরপত্র ক্রয়কারী ঠিকাদারেরা বলেছেন, তাঁরা যে দরপত্র কিনেছেন, তা কারও জানার কথা না; কিন্তু অনলাইনে দরপত্র কেনার পরপরই ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতা ও চরমপন্থী সংগঠনের নেতাদের পরিচয় দিয়ে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দরপত্র জমা দিতে বারণ করা হয়েছে।
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে মৌখিক ও খুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছেন। সিপিটিইউর শীর্ষ পর্যায় থেকে যদিও দাবি করা হয়েছে, ‘সিপিটিইউ থেকে ইজিপির তথ্য ফাঁস হওয়া অসম্ভব ব্যাপার’, কিন্তু শর্ষের ভেতরে ভূত তো থাকতেও পারে। এ তথ্য ফাঁসে সিপিটিইউ-সংশ্লিষ্ট কেউ জড়িত, নাকি অন্য কোনো ফাঁক গলে তথ্য ফাঁস হয়েছে, তা দ্রুত খুঁজে বের করা দরকার। অন্যথায় অনলাইনে দরপত্র জমা দেওয়ার বিষয়ে মানুষের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা রাতারাতি নষ্ট হয়ে যাবে।
সুত্র:প্রথম আলো