কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৪টি বসতঘর পুড়ে
ছাই হয়েছে। বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার কাদিরখিল মুন্সী বাড়িতে এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে গৃহে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা,আসবাবপত্র ও গবাদিপশুসহ প্রায় ১২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার দাবি করেন।
এদিকে শাহানা বেগম নামে একজন গুরুতর হতাহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সুমন মুন্সীর বসতঘরে বৈদ্যুতিক সর্ট
সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। আগুনের লেলিহান
চারেিদক ছড়িয়ে পড়লে তার ২টি বসতঘর ও ১টি গোয়াল ঘর এবং মাসুদুর রহমানের ১টি বসতঘর পুড়ে যায়। প্রায় ঘন্টাব্যাপী
চেষ্টা চালিয়ে এলাকার লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রন আনে। এতে
গোয়াল ঘরে থাকা ৬টি ছাগল,হাসঁ-মুরগী ও প্রয়োজনীয়
আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্থ সুমন মুন্সী জানান,আমি একজন কৃষক এবং সেলু
মেশিনের লাইনম্যান হিসেবে কাজ করি। ঘটনার দিন আমি মাঠে ছিলাম। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি আমার সব পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন নি:স্ব হয়ে গেছি। স্ত্রী ও ২ মেয়ে নিয়ে আমি এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হবে। আমি সরকারসহ উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করছি।
সুমন মুন্সীর স্ত্রী তাছলিমা বলেন, বুধবার রাতে সবাই মিলে ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ আগুনের লেলিহান দেখে চিৎকার করি। পরে বাড়ির লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রন আনে। ততক্ষনে ঘরে থাকা নগদ টাকা,আসবাবপত্র,ছাগল ও হাস-মুরগী পুড়ে গেছে। শিক্ষক মো: মোশারফ ও সোলেমান সিকদার বলেন, সুমন মুন্সী একজন গরীব অসহায় লোক। তার যে কয়টি ঘর ছিল আগুনে পুড়ে সে এখন নি:স্ব হয়ে গেছে। এদিকে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,কচুয়ার সাংসদ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তারা।