কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যকার বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার সকাল ৮ টা থেকে একটানা ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হয়। প্রথম পর্যায় সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।
এদিকে ফরিদগঞ্জের কাছিয়ারা মহিলা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে দুই কাউন্সিলর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। এ সময় কেন্দ্রের পাশে পরপর ৪ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে গুরুতর আহত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আলী হায়দার পাঠানকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ফরিদগঞ্জের কাছিয়ারা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রের প্রিজাডিং অফিসার আইয়ুব আলী বলেন, এ কেন্দ্রে ১০ জন কাউন্সিল প্রার্থী। মূলত তাদের কারনেই কেন্দ্রে সহিংসতা ঘটেছে। ভয়ে ভোটার সংখ্যাও কমেছে।
অন্যদিকে ৫নং ওয়ার্ডের মন্তি খাঁর মসজিদের সামনের অস্থায়ী কেন্দ্রে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সর্মথকদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় বেশ কিছু ককটেল বিস্ফোরণ হয়।
এছাড়া ২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্রে করে কাউন্সিলর প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংর্ঘষে অন্তত ৩জন আহত হয়েছে।