POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

সৎ ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি এমএ মতিন ও কিছু কথা

ডা. মাজহারুল ইসলাম রনি | প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২০ | সময়: ৬:৫১ অপরাহ্ণ

আল্লাহ,সৎ ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি মতিন দাদাকে বেহেশত নসীব করুক, আমিন।
মরহুম মতিন দাদাকে পুঁজি করে কিছু নোংরা মানুষদের বিভিন্ন ব্যাক্তির নামে জঘন্য মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর, প্রতিহিংসামুলক মন্তব্যের প্রতিবাদে কিছু কথা–

★★ এম এ মতিন-এমন জনপ্রতিনিধি হয়তো আর আসবে না! উনাকে সবাই প্রথমে রাজনীতিবিদ পরে জনপ্রতিনিধি বলে কিন্তু আমি উনাকে প্রথমে জনপ্রতিনিধি বলি এর প্রথম কারন উনি শিক্ষক থেকে সরকারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন আর দ্বিতীয় কারন উনার মতো জনপ্রতিনিধি হিসাবে সফল এবং সেইসাথে দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য চাঁদপুর জেলায় কমই ছিলেন। ৪ বারের এমপি, ১ বারের উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১ বারের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বনেদি পরিবারের সন্তান। বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে নির্বাচন ও রাজনীতি করে গেছেন। সৎ ছিলেন বলেই হয়তো কিছুই করতে পারেন নাই। রাজনীতিবিদ হিসাবে উনি যতোটা না সফল ছিলেন তার চাইতে অনেক অনেক বেশী সফল ছিলেন জনপ্রতিনিধি হিসাবে। চাঁদপুর-৫ আসনের হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি উপজেলা ছিলো উনার নখদর্পনে। এই দুই উপজেলাতে এমন অনেক জায়গা ছিলো যেখানে যোগাযোগ ব্যাবস্থাসহ কোন উন্নয়ন ছিলোনা উনি সেইসব জায়গায় রাস্তাঘাটসহ অন্যান্য উন্নয়ন করে দিয়েছেন। দুই উপজেলার মোটামুটি সব স্কুল, কলেজে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ অনেক জায়গায় উন্নয়নে উনার সহযোগিতা ছিলো। সম্পর্কে উনি আমার দাদা হয় (আব্বার বড় জেঠীমার ছোট মামা উনি), উনাকে দাদা বলেই ডাকতাম।

এইবার কিছু কথা বলা দরকার –
★★ হাজীগঞ্জের বিএনপির নামধারী কিছু নোংরা মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে মরহুম মতিন দাদাকে পুঁজি করে বিভিন্ন ব্যাক্তির নামে জঘন্য মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর, প্রতিহিংসামুলক উল্টাপাল্টা মন্তব্য ছড়াইতেছে। মতিন দাদাকে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতারা, দলের শুভাকাঙ্ক্ষীরা, সমর্থকরাসহ অনেকেই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে প্রচুর সাহায্য সহযোগিতা করে আসছিলো। ১৯৯৫ সালে উনার সেগুনবাগিচার সেই বাসা থেকে শুরু করে বর্তমানের উত্তরা বাসা পর্যন্ত অনেকবার আমি গিয়েছিলাম আব্বার দেওয়া খাম নিয়ে। এইসব নোংরা মানুষগুলির কথায় এখন যদি বলা হয় মতিন দাদাকে কে কতো সহযোগিতা করেছিলো এটা বলার অর্থ হলো উনার মতো বনেদি পরিবারের সন্তানকে অপমান করা।

★★ মতিন দাদাকে পুঁজি করে অথবা ব্যাবহার করে
হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির কেউ রাতারাতি বড়লোক হয় নাই এমনকি দিনের সূর্যের আলোতেও হয় নাই। রাতারাতি বড় লোক হইতে হলে অবৈধ সুযোগ সুবিধা, দূর্নীতি করেই হতে হয়। এখন যারা বলতেছে যে মতিন দাদাকে দিয়ে অনেকেই বড়লোক হইছে, এই জঘন্য মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর, প্রতিহিংসামুলক কথা ছড়াইয়া নোংরা মানুষগুলি যে মতিন দাদাকেই অপমান করতেছে এবং মতিন দাদার সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেছে এটা নোংরা মানুষগুলি বুঝতেছেনা। কারন নোংরা মানুষগুলির কথা অনুযায়ী কেউ যদি মতিন দাদাকে দিয়ে রাতারাতি বড় লোক হয় তাহলে সেখানে নিশ্চয়ই মতিন দাদার সহযোগিতা ছিলো তার মানে মতিন দাদার অবৈধ সুযোগ সুবিধা প্রদানের কারনেই সে বড় লোক হইছে!! আর যদি এই রকমই কিছু হইতো তাহলে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সবার আগে মতিন দাদা জেলে যাইতো সেই সাথে উনার অবৈধ সুযোগ সুবিধা প্রদানের কারনে যারা রাতারাতি বড় লোক হইছে তারাও জেলে যাইতো। এইরকমই কোন কিছুই হয় নাই হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে কারন মতিন দাদা যেমন সৎ ছিলেন তেমনই উনার রাজনীতির সহকর্মীরাও সৎ ছিলেন।

★★ করোনার মহামারীর কারনে প্রচুর মানুষ ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও মতিন দাদার জানাযায় শরীক হতে পারে নাই কিন্তু এই নোংরা মানুষগুলি এটা নিয়েও জঘন্য মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর কথা ছড়াইতেছে।
এইসব কথা বলতে চাই নাই কারন মতিন দাদাকে অনেক সন্মান ও শ্রদ্ধা করি, শুধু নোংরা মানুষগুলির জঘন্য মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর, প্রতিহিংসামুলক মন্তব্যের প্রতিবাদে বলতে বাধ্য হইলাম।

পরিশেষে বলবো, মরহুম মতিন দাদাকে নিয়ে আর রাজনীতি না করে উনার জন্য সবাই দোয়া করি যেনো জান্নাতবাসী হয়।

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন