মহামারীর মধ্যে বছরের শেষ সময়ে এসে স্থানীয় সরকারের পৌরসভা নির্বাচন শুরু হল, যেখানে মেয়র প্রার্থীরা নৌকা ও ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সংশয়ের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টায় শুরু হয় ভোটগ্রহণ, তা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
দুদিন আগেই ভোটের সংঘাতে কুষ্টিয়ায় দুজন নিহত হলেও ভোটের সময় পরিস্থিতি শান্ত থাকবে বলে আশা করছেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।
তিনি বলেন, “পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে ও নির্বাচনী পরিস্থিতি ভালো। আশা করি, ভোটেও তা বজায় থাকবে।”
পাঁচটি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মেয়র পদে ৯৪ প্রার্থী থাকলেও বরাবরের মতোই ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকা আর বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের প্রার্থীদের মধ্যে।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির প্রার্থীরা মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এসব পৌর এলাকায়, তারা দলীয় প্রতীকে। পাশাপাশি লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীও।
সহস্রাধিক প্রার্থী রয়েছে সাধারণ ও কাউন্সিলর পদে। কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভোটের প্রচার নিয়েই মূলত দুয়েকটি এলাকায় হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
একনজরে ২৪ পৌরসভা
>> প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী: ১১৬১
>> মেয়র প্রার্থী: ৯৪
>> সাধারণ কাউন্সিলর: ৮০১
>> সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী: ২৬৬
>> ভোটার: ৬, ২৪, ৮০৭ (পুরুষ ৩,০৭, ০৩৭; নারী ৩,১৭,৭৭০)
>> ভোটকেন্দ্র: ৩১৯
>> পুলিশ সদস্য ১২৭৬, আনসার সদস্য ২৮৭১, র্যাবের টিম ৭২, বিজিবি ৫০ প্লাটুন, মোবাইল ফোর্স ৭২টি ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ২৪টি।
>> প্রতি সাধারণ ভোট কেন্দ্রে ১১ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৩ জন করে নিরাপত্তা সদস্য নিয়োজিত থাকবে।