চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর নৌ সীমানায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনটি নৌকা ও দুই হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে প্রশাসন। এ সময় কারেন্ট জাল ব্যবহারের অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর নৌ সীমানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সদর নৌ থানা পুলিশ ও সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ শিকারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ সময় ৩টি নৌকা এবং প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ১১ জনের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ ৭ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। অপর ৪ জনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককেও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হক, সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানসহ সদর নৌ পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দ করা নৌকা ও কারেন্ট জাল নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।