জুলাই আন্দোলনের সময়ে রাজারগাঁওয়ের নাবিল আহমেদ ( ২১) রাজধানীর কদমতলী থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ ২০ মাস যাবত থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এক মাসের পর্যবেক্ষণের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১ ঘটিকায় তাতে থাইল্যান্ড থেকে সরাসরি (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরমর্শে কেবিন ব্লকে ভর্তি করা হয়।
নাবিলের পিতা হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলনের সময়ে রাজধানীর কদমতলী থানার সামনে নাবিলের ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে দেশের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের পরমর্শে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ২০ মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তিনি আরো বলেন থাইল্যান্ড চিকিৎসকরা পরিক্ষা নিরিক্ষার পরআমার ছেলের গুলিবিদ্ধ ডান পায়ে অস্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলার জন্য পরামর্শ দেন চিকিৎসক বোর্ড।
অস্রোপচারের পূর্বে নাবিলকে একমাস বাংলাদেশ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়।
একমাস পর নাবিল আহমেদকে আবার পুনরায় থাইল্যান্ড নিয়ো গিয়ে অস্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়ার কথা জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
তাই চিকিৎসকদের পরমর্শ অনুযায়ী ছেলেকে নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করি। এখন চিকিৎসকেদর পর্যবেক্ষণে আছে। নাবিলের গ্রামের বাড়ী চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের একমাত্র ছেলে।
জুলাই আন্দোলনের সময়ে পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর রায়েরবাগ এলাকায় থাকতেন এবং মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বর্তমানে নাবিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।