
কোটি ডোজ টিকাদানে ভিড় বিশৃঙ্খলা

একদিনে দেশের এক কোটি মানুষকে প্রথম ডোজ করোনা টিকা দেওয়ার মহাযজ্ঞ শেষ হয়েছে। তবে দিনশেষে জানা যায়নি কত ডোজ দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের এদিনে কেন্দ্রগুলোয় অপ্রতুল বুথ এবং প্রয়োজনীয় জনবল কম থাকায় নানা অব্যবস্থাপনা ছিল চরমে। ফলে শেষ সময়ে টিকা নিতে এসে কেন্দ্রে ভিড় ও বিশৃঙ্খলার কারণে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন এই বিশেষ কর্মসূচি আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছে। শনিবার বিকালে বিশেষ ক্যাম্পেইন সম্পর্কে এক ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, একদিনে এক কোটি ডোজ টিকার ঘোষণায় মানুষ আগ্রহ নিয়ে টিকা নিতে এসেছে। আজ এক কোটির বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। আজকের পরও প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম আরও দুইদিন অব্যাহত থাকবে। এ কাজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সহযোগিতা করবে।
স্বাস্ব্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় আসবে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ১১ কোটি মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া সম্ভব হয়ছে। আজ এক কোটি টিকা দেওয়া হলে ১২ কোটি মানুষ প্রথম ডোজের আওতায় আসবে।
শনিবার ঢাকাসহ সারা দেশে এক দিনে এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার বিশেষ কর্মসূচি ছিল। এদিন রাজধানীর একাধিক কেন্দ্র ঘুরে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। এসব কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হয়েছে। সব কেন্দ্রেই টিকাগ্রহীতাদের দীর্ঘ লাইনে কোনো ধরনের শারীরিক দূরত্বের বালাই ছিল না। মাস্ক ব্যবহার ছাড়াই আসতে দেখা গেছে অনেককে। এতে সুস্থতার জন্য টিকা নিতে এসে অনেকে সংক্রমণ ঝুঁকিতে পড়ছেন। ভোগান্তি এড়াতে কেউ কেউ এক কেন্দ্র থেকে অন্য কেন্দ্রে ছোটাছুটি করেন।
টিকাকেন্দ্রে মানুষের উপচে পড়া ভিড় সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, সকালে স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজে টিকা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে ভিড় দেখা যায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বুথ সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। একইভাবে মাতুয়াইল কেন্দ্রে ব্যারিকেড দিয়ে কেন্দ্র বড় করা হয়। ধোলাইখাল, ইসলামপুর, মহানগর জেনারেল হাসপাতাল ও মিডফোর্ড এলাকায় প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। তবে সবার সহযোগিতায় আমরা সুষ্ঠুভাবে টিকা দিতে পারছি।


সূত্র: যুগান্তর
E/N




























