
চলন্ত ট্রেনে হেফাজতের হামলা, রেল যোগাযোগ বন্ধ


হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের মধ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর সোনারবাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনে হামলা চালিয়ে ৭টি বগির জানালা ভেঙে ফেলেছে হরতালকারীরা। এতে আখাউড়া থেকে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ রাখা হয়।
এছাড়া ঢাকাগামী আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল থেকেই আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর সুবর্ণ এক্সপ্রেস কসবা স্টেশন, ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস কুমিল্লা স্টেশন এবং সিলেট থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন আখাউড়া রেলওয়ে সেকশনের আজমপুর স্টেশনে আটকা পড়েছে।
এতে শত শত ট্রেনযাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনযাত্রীরা ট্রেনের ভেতর প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে অতিষ্ঠ হয়ে যায়। পরে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের প্লাটফর্মের মেঝেতে শিশু ও নারীদের শুয়ে-বসে থাকতে দেখা যায়।


সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকোমোটিভ ড্রাইভার মোহাম্মদ হানিফ জানান,রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর স্টেশন অতিক্রম করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আউটার সিগন্যাল পার হওয়ার সময় লাইনের উপর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হেফাজত কর্মীরা গাছ ফেলে প্রতিরোধ করে থামায়।
ট্রেনটি থামার পর শত শত হেফাজত কর্মী সোনারবাংলা একপ্রেস ট্রেনে আক্রমণ করে বৃষ্টির মতো পাথর ছুড়তে থাকে । এতে এই ট্রেনের সাতটি কোচের জানালা ভেঙে যায় এ সময় কোনো উপায় না দেখে ট্রেনটি ব্রেক করে আশুগঞ্জের তালশহর স্টেশনে এনে দাঁড় করানো হয়।পরবর্তীতে যাত্রীদের অধিকতর নিরাপত্তার জন্য সোনারবাংলা ট্রেনটি কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলস্টেশনে নেয়া হয়।
এদিকে আখাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি মাজহারুল করিম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়েছে। ট্রেনটি নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসে এবং ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল।
হরতালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবির দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে পূর্বাঞ্চল রেলপথের আখাউড়া হয়ে চট্টগ্রাম-ঢাকা ও আখাউড়া হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সূত্র:যুগান্তর
h/n




























