বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ দৃঢ়তার সঙ্গে গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ করে। আমরা আশা করি, মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থা বহাল থাকবে। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে আমরা মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চাই।


আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে অবিচল থেকেছি। এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করে চলেছি। আশা করি, এসব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অব্যাহত থাকবে।
এর আগে আজ থেকে আগামী এক বছর দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দেশটির সেনাবাহিনী। তারা দেশটিতে নতুন করে নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে।































